Monday, January 30, 2017

১৭ বছরের নিচে মেয়েকে বিয়ে করার সুবিধা জানলে আজই বিয়ে করতে চাইবেন, জেনে নিন কি সুবিধা!!!!

খুব বেশি আগের কথা নয়, এই দশক শুরুর অনেক আগে থেকেই আমাদের দেশে বাল্যবিবাহ প্রচলিত। বর্তমানেও যে এই অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়েছে তাও জোর গলায় বলা যাবে না। জাতিসংঘের সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বেধে দেয়া যে আঁটটি লক্ষ্যমাত্রা(শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাল্যবিবাহ ইত্যাদি) ছিল তার অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রাই বাংলাদেশ অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে(অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে)

Thursday, January 26, 2017

সপ্তাহে কতবার সেক্স আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? অবশ্যই জেনে রাখা দরকার !

সপ্তাহে কতবার সেক্স করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তে প্রকাশ হয়েছে একটি আর্টিকেল । সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে সব পুরুষেরা সপ্তাহে দুবার সেক্স করেছেন তাঁদের হার্ট যারা একবারও সেক্স করেন নি তাদের থেকে অনেকটা ভালো ।

Tuesday, January 17, 2017

কেন ছেলেরা বড় নিতম্বের মেয়েদের বেশি পছন্দ করে ?


সৌন্দর্য সচেতন অনেক নারীকে কৃত্রিম নিতম্ব ব্যবহার করতে দেখা যায়। কারণ, বড় নিতম্ব দেহের সৌন্দর্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এ তো গেল কৃত্রিম নিতম্বের কথা।
কিন্তু অকৃত্রিম বড় নিতম্ব শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, তা স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকার বয়ে আনে। গবেষকরা বলেছেন, বড় নিতম্বে বড় উপকার। গবেষণার এই তথ্য বড় নিতম্বের অধিকারী নারীদের জন্য সুখবরই বটে।

বীর্যপাত বন্ধ রেখে অধিক সময় যৌন মিলন করার পদ্ধতি জেনে নিন!

পোষ্টটি তাদের জন্য যারা অধিক সময় ধরে মিলন করতে পারেন না। অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার জন্য তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়।

আমার যৌন আনন্দ লাভের অনেক আগেই আমার স্বামীর বীর্য বের হয়ে যায়। কি করা উচিৎ?

উঃ- প্রতিবারই স্ত্রীর যৌন আনন্দ লাভের অনেক আগেই যদি স্বামীর বীর্যপতন ঘটে তবে সেটা স্ত্রীর পক্ষে অবশ্যই হতাশাজনক। সেই হতাশার বশে অনেকেই ভুল পদক্ষেপ করে ফেলে যা পরবর্তীকালে অশেষ শারীরিক ও মানসিক অশান্তির কারণ হয়। তাই প্রশ্নকর্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলব তাৎক্ষণিক যৌন আনন্দ লাভের জন্য নিজেকে কোন পরকীয়ায় জড়াবেন না, তাতে ভবিষ্যতে গভীর সমস্যা হতে পারে। আপনার স্বামীর সমস্যার অন্য সমাধান রয়েছে।

যৌনক্ষমতা বাড়ানোর এক অভিনব পদ্ধতি !যৌনশক্তি বাড়াতে আর দামি-দামি ওষুধ খেতে হবে না৷ রোদ পোহালেই বাড়বে পুরুষের কামশক্তি৷

গবেষকেরা বলছেন এমনই তথ্য৷ ভারতীয় বেশ কিছু গণমাধ্যম এমন খবর প্রকাশ করেছে।
অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেজিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷

বিয়ের পর মেয়েদের পাছা চ্যাপ্টা হয়ে যায় কেন? জানলে আপনিও লজ্জা পাবেন!

বিয়ের পরে মেয়েরা মনে করে, সামনে তো আর কোনো বড় উপলক্ষ নেই আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে তাদের তেমন লক্ষ্য থাকে না। তারা খাওয়াদাওয়া এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে নিয়মকানুন অনুসরণ বন্ধ করে দেন, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে থাকে। অনেকে আবার মনে করেন, বিয়ের পরে তাদের আকর্ষণীয় ফিগার বজায় রাখার দরকার নেই, এ কারনেও তাদের ওজন এভাবে বাড়তে দেখা যায়।

সঙ্গীনির যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির উপায়

Sunday, January 15, 2017

প্রতিনিয়ত যৌনসঙ্গম ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!

বয়স বাড়লে যৌনতায় নিয়ন্ত্রণ রাখা উচিত, এমনটাই বলছে আধুনিক গবেষণা। ৫০ কিংবা তাঁরও বেশি বয়সে কেউ যদি রোজ যৌনসঙ্গম-এ লিপ্ত হয়, তাহলে তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা বেশি, বলছেন গবেষকরা।
যৌবন পেরনো পুরুষ যদি দৈনিক কিংবা সাপ্তাহিক সঙ্গমে অভ্যস্ত হন, তাহলে সেই পুরুষের হৃদরোগের শঙ্কা বেশি। এমনটাই মত দিয়েছে মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়য়ের গবেষকরা।

প্রশ্নঃ আমি বাসর রাতে স্বামীর বীর্য পান করে ফেলি, এ নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় আছি, এখন আমি কি করব?

সমস্যাঃ আমি বাসর রাতে মিলনের সময় আমার স্বামীর বীর্য পান করে ফেলি। কিন্তু আমার এখন অনেক ভয় করছে। কারন আমি এতো তারাতারি বাচ্চা নিব না। এছাড়াও বীর্য খাওয়াতে আমার কোন রোগ বালাই হবে কিনা? উত্তর দিলে অনেক খুশি হবো।

যৌন মিলনের সময় আপনার সঙ্গিনী কি ব্যাথা পাচ্ছেন? সমাধান জেনে নিন

যৌন মিলনে ব্যথা একটি সচরাচর বিষয়। এমন অনেক বিবাহিত যুগল আছেন যারা যৌন মিলন / শাররীক মিলন করতে পারেন না, কারন স্ত্রী মিলনকালে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন।

জেনে নিন নারীদের স্তনের আকৃতি নষ্ট হবার জন্য দায়ী যে ৬টি বদ অভ্যাস!

অল্প অল্প ওজন কমালে স্তনে আকৃতি অনেকটাই কম নষ্ঠ হবে, একদমই পানি পান করতে ভালো লাগে না? জেনে রাখুন, কম পানি পান করলে কেবল আপনার স্বাস্থ্যই খারাপ হবে না, সেইসাথে হবে চরম সৌন্দর্য হানি। হ্যাঁ, মুখের তো বটেই, সাথে সৌন্দর্য হারাবে আপনার স্তনও।

বক্ষযুগলকে সুন্দর রাখতে নারীদের চেষ্টার অন্ত নেই, অথচ প্রতিনিয়ত তাঁদেরই কিছু ভুলে ক্রমশ সৌন্দর্য হারাচ্ছে শরীরের এই অঙ্গটি।

এক ঘণ্টায় দুই বার সেক্স করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে! –

এক ঘণ্টায় দুই বার সেক্স করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে! অবাক হবেন না! এমনটাই বলছেন যৌন রোগ বিশেষজ্ঞরা৷ এর এই কারণেই হইত সংযম ও যৌনতা নিয়ে চিরাচরিত ধারণা সম্ভাবনা এবার বদলাতে চলেছে। দীর্ঘদিনের সংযম বীর্যের মান ভালো হয়, এই ছিল এতদিনের ধারণা। সন্তানধারণের ক্ষেত্রেও সংযম ও বীর্যধারণের কথাই গুরুজনেরা বলে এসেছেন চিরকাল। বলেছেন, বীর্যের গুণগত-মানের উপরই সন্তানের মেধা, বুদ্ধি, চরিত্র নির্ভর করে। তবে সেটা নাকি সম্ভব একমাত্র বীর্যধারণেই।

Saturday, January 14, 2017

Jhumka Hot Bangla Movie Scene

যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটের থেকেও বেশি কার্যকর এই ৫টি খাবার, ট্যাবলেটের দিন শেষ!

যৌনজীবনে উদ্দীপনা আনতে ভায়াগ্রায় সাহায্য নেন অনেকেই। বর্তমান
জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে যৌনজীবনে শিথিলতা আসছে।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি থাকে এমন কিছু খাবার যার মধ্যে রয়েছে জিনসিনোসাইড; তবে আপনার ফিরে আসতে পারে যৌনজীবনের উদ্দীপনা। জেনে নিন এ জাতীয় ৫টি ভেষজ খাবারের কথা:

সামান্য ভুলের জন্য যৌনজীবন শুরুর আগেই শেষ হতে পারে! মিলনের সময় কী এই সমস্যা হয় আপনার?

কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে বিব্রত বোধ করেন অনেকেই। আবার সেগুলি নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতেও সংকোচ! তবে সমস্যাগুলি গুরুতর। তাই সেগুলি নিয়ে এখন থেকেই সতর্ক না হলে বিপদে পড়তে পারেন।

যে স্ত্রীরোগ মেয়েদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়!

স্ত্রীরোগগুলি মহিলাদের কাছে যেমন বেদনার, তেমনই অস্বস্তিদায়ক। বিশেষ করে যাঁরা কর্মরত। তেমনই একটি রোগ শ্বেতপ্রদর বা লিউকোরিয়া।কিশোরী বয়স থেকে শুরু করে বয়স্ক মহিলাদের এই রোগ দেখা দিতে পারে। গ্রামবাংলার আঞ্চলিক ভাষায় এর নামকরণ করা হয়।

সাবধান! কনডম ব্যবহারের সময় এই ভুল কারণে হতে পারে ৪টি মারাত্মক রোগ!

ভালো জিনিস যে সব সময় ভালো হবে, তা কিন্তু নয়! বরং ভালো জিনিস থেকেও হতে পারে মারাত্মক বিপত্তি! যেমন- কন্ডোম। সাধারণত আমরা জানি, কন্ডোম পরে যৌনতায় লিপ্ত হলে কোনো ধরণের যৌনরোগ হয় না। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক সময় কন্ডোম পরলে অন্য রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারেন ব্যবহারকারী।

একটা ইনজেকশনের মাধ্যমেই জন্মনিয়ন্ত্রণের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে পুরুষেরা

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে পুরুষদের জন্যে পরীক্ষামুলকভাবে তৈরি হয়েছে একটি হরমোন ইনজেকশন। সেটি প্রায় ৯৬ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ২৭০ জন পুরুষের ওপর এটি পরীক্ষা করা হয়েছে।
সাম্প্রতি একটি প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী পুরুষদের ওপর এটির পরীক্ষা চালানো

পিরিয়ডের সময় প্রতি মাসে যে ৮ ভয়ংকর ভুল আপনি করছেন!


মাসিক বা পিরিয়ড নিয়ে অনেকেরই নানা ছুঁত্‍‌মার্গ থাকলেও এই বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করাটা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ও বিজ্ঞানসম্মত। লুকোছাপা করতে গিয়ে এই নিয়ে অজ্ঞতা দেখা দেয় মেয়েদের মধ্যে। আর সেজন্যই প্রতি মাসে এই শারীরবৃত্তীয় ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ঘটলেও, সেই সময়টায় না জেনেই বেশকিছু ভুল করে বসে নারীকুল। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত হানিকর হতে পারে।
বেশিরভাগ মেয়েই পিরিয়ড চলাকালীন সাধারণত যে ভুলগুলি করে থাকেন, একবার সেগুলির দিকে নজর দেওয়া যাক…

১.পেন রিলিফ মেডিকেশন
পিরিয়ডের সময় স্বাভাবিক নিয়মে হওয়া ব্যাথা বা ক্র্যাম্প নিরাময়ের জন্য মেয়েরা অনেকক্ষেত্রেই নানা ওষুধের সাহায্য নেন। পেন রিলিফের এই ওষুধ বা ইঞ্জেকশনে যে স্টেরয়েড থাকে, তা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। বেশ কয়েকটি ওষুধ সমস্যা কমানোর পরিবর্তে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আর স্টেরয়েডবহীন অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ড্রাগ আপনার শরীরে আচমকা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ওষুধ খেলে তার মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে কিডনি ও লিভারের উপরও।

২.দীর্ঘক্ষণ প্যাড না বদলানো
যত বেশি সময় ধরে আপনি একটি প্যাড ব্যবহার করবেন, তত বেশি তাতে ব্যাকটেরিয়া জমা হবে। অনেকেই কাজের চাপে বা অবহেলায় দীর্ঘক্ষণ একই স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করে থাকেন। এটা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা অন্তর অন্তর প্যাড বদলানো উচিত।

৩.সুগন্ধীযুক্ত প্যাড ব্যবহার
কোনও উগ্র বা উত্‍‌কট গন্ধ কারওই পছন্দ না হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে তাই বলে সুগন্ধীযুক্ত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করাটা ঠিক হবে না। এ ধরনের কেমিক্যাল ইনফেকশন ছড়াতে পারে, ব্যাকটিরিয়া তৈরি করতে পারে। সুগন্ধীযুক্ত প্যাডে এমন কিছু সিন্থেটিক কেমিক্যাল যুক্ত থাকতে পারে, যা হয়ে উঠতে পারে ক্যান্সারপ্রবণ।

৪.পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
ব্যাথা, ক্র্যাম্পিং, হরমোলান ভারসাম্যহীনতা ও অস্বস্তির কারণে পিরিয়ড চলাকালীন ইনসমনিয়া দেখা দেয় মেয়েদের মধ্যে। ঘুম আসতে চায় না। তবে, এই বিশেষ সময়টায় পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব শরীরকে আরও অসুস্থ করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া ও ঘুম হলে পিরিয়ড অনেক সহজ ও কম কষ্টকর হয়।

৫.শরীরচর্চায় বিরতি
অধিকাংশ মেয়েই পিরিয়ড শুরু হলে রোজকার শরীরচর্চা বন্ধ করে দেন। এই সময়টায় শরীরচর্চা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর বলেই বেশিরভাগ মানুষের ধারণা। তবে, বিশেষজ্ঞরা কিন্তু একেবারে উল্টো কথাই বলছেন। মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, মাসিক চলাকালীন সপ্তাহে পাঁচ দিন দিনে অন্তত ৩০ মিনিট করে ওয়ার্ক আউট করা উচিত। শরীরচর্চা করলে চাপমুক্ত হওয়া ও ঘামের মাধ্যমে টক্সিন বেরিয়ে যাওয়া ছাড়াও ব্যাথা ও খিঁচ ধরার মতো সমস্যাগুলো কেটে যায়। তার ফলে ঘুমটাও ভালো হয়।

৬.বাদ দিন চা-কফি
পিরিয়ড চলাকালীন ক্লান্তি, ঘুমের অভাব, মাথাব্যাথার মতো শারীরক সমস্যাগুলি থাকায়, মাঝে মধ্যেই কফি খেতে মন চায়। তবে, মেয়েদের বলছি, এই সময়টায় কফি নৈব নৈব চ। কারণ ক্যাফেন শরীরকে ডিহাইড্রেট করে এই সময়টায় উল্টে শরীরের ক্ষতি করে দিতে পারে। বাড়িয়ে দিতে পারে মাথাব্যাথা। মাসিকের সময় চা-কফি যত বাদ দেবেন, ততই টেনশন, নিদ্রাহীনতা, উদ্বেগের মতো সমস্যাগুলি কম হবে।

৭.সুরক্ষিত SEX
পিরিয়ডের সময় যোনিতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। কাজেই নিজের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই সময়টায় সঙ্গমে লিপ্ত হলে পর্যাপ্ত সুরক্ষার দিকটা মনে না চললে, তা হতে পারে মারাত্মক।

৮.কাপড়ের ব্যবহার আর নয়
এখনও গ্রাম-গঞ্জ, শহরতলি এমনকী শহরেও অনেক মেয়ে মাসিকের সময় কাপড়ের ব্যবহার করেন। এট একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই সবসময় কাপড়ের পরিবর্তে হাইজেনিক প্যাড ব্যবহার করুন।

সহবাসের পরও থাকবে অক্ষত যোনি!

হায়দরাবাদের বাসিন্দা হেমন্ত দিন কয়েক আগেই তাঁর মেয়েকে তড়িঘড়ি নিয়ে যান প্লাস্টিক সার্জেনের কাছে। মেয়ের কয়েক দিন বাদেই বিয়ে। কিন্তু কোনও কারণে ভ্যাজাইনার হাইমেন ছিঁড়ে গিয়েছে। ফলে অক্ষত যোনি আর নেই। মেয়েকে পুনরায় ভার্জিন করতেই অস্ত্রোপচার করে হাইমেন পুনর্গঠন করতে চান তিনি।
হেমন্তর কথায়, ‘আমার ভয় হল, বিয়ের পর ওর স্বামী যেন না ভাবে, যে ও ভার্জিনিটি খুইয়েছে।’ শুধু হেমন্তই নন, ভারতের বিভিন্ন বড় শহরেই অক্ষত যোনি ফিরে পেতে প্লাস্টিক সার্জারি করাচ্ছেন বহু যুবতী। ডাক্তারি পরিভাষায় এই অস্ত্রোপচারকে বলে হাইমেনোপ্লাস্টি। চিকিত্‍‌সকরা বলছেন, ২০ থেকে ৩০ বছরের যুবতীরা হাইমেনোপ্লাস্টি অপারেশন করিয়ে নিচ্ছেন। ৪০ মিনিটের একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অক্ষত যোনি ফিরে পাচ্ছেন তাঁরা।
প্লাস্টিক সার্জেন ভবানী প্রসাদের কথায়, ‘আমাদের সমাজে অনেক মহিলাই চাইছেন, বিয়ের পরেই যাতে দাম্পত্যে কোনও সমস্যা না তৈরি হয়। তাই সঙ্গী যতই আধুনিক মনভাবাপন্ন হন, যুবতীরা নিজেকে ভার্জিন রাখতে চাইছেন। যাতে ক্ষত যোনিতে কোনও ভুল বোঝাবুঝি না হয়।’
ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হাইমেন পুনর্গঠন করা হয়। যোনিতে একটি কৃত্রিম মেমব্রেন তৈরি করে। ভয়ের কিছু নেই। শুধু অস্ত্রোপচারের পর কয়েক সপ্তাহ শরীরচর্চা বা অন্যান্য শারীরিক ক্রিয়া করা নিষেধ থাকে। যাতে কৃত্রিম হাইমেন ছিঁড়ে না যায়। পরবর্তী ক্ষেত্রে সেক্স করলে, তা প্রথমবার মিলনের মতোই মনে হবে।
শুধু যুবতীরাই নন, চিকিত্‍সকরা বলছেন ৩৫ বা ৪০ বছরের মহিলারাও অনেকে এই অস্ত্রোপচার করছেন।

জেনে নিন, বিয়ের পরে মেয়েদের স্তন নরম হয় কেন ? বেশি টিপার ফলে নাকি অন্য কার

অধিকাংশ নারীকেই দেখা যায় বিয়ের পরে তাদের স্তন অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয়ে যায়। এটি কেন হয়ে থাকে? এটি শুধু আমাদের দেশেই নয়, পুরো পৃথিবী জুড়ে দেখা যায়।

একটি কারণ হলো বিয়ের আগে মেয়েদের দুশ্চিন্তা কাজ করে বিয়ে ঠিকঠাক হবে কিনা, কেমন হবে নতুন জীবন, সবকিছু ঠিকমতো হবে কিনা এসব নিয়ে। বিয়ের পর আর সেই মানসিক চাপ থাকে না।

তাই রিল্যাক্সড হয়ে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে। যার ফলে তারা মোটা হয় এবং স্তন বড় হয়ে য়ায।

পুত্র নাকি কন্যা সন্তান আসছে, জানা যাবে গর্ভবতী মহিলার রক্তচাপ থেকেই!

গর্ভের সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে, সেটা জানা যাবে গর্ভবতী মহিলার রক্তচাপ থেকেই! হ্যাঁ, এমনটাই জানাচ্ছেন কানাডার একদল গবেষক।
কানাডার মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের চিকিত্‍সক এবং এই গবেষক দলের প্রধান ডক্টর রবি রত্নাকরন জানিয়েছেন, যদি গর্ভবতী মহিলার রক্তচাপ প্রসবের আগে কম থাকে, তাহলে সাধারণত, সেই মহিলা কন্যাসন্তান প্রসব করেন। আর মহিলার রক্তচাপ যদি বেশি থাকে, তাহলে পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

রবি রত্নাকরন বলেছেন, ‘গর্ভবতী মহিলার প্রসবের আগের রক্তচাপের ওঠানামা অনেককিছুই নির্দেশ করে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা করে দেখেছি যে, যদি প্রসবের আগে গর্ভবতী মহিলার রক্তচাপ বেশ কমে যায়, তাহলে তিনি কন্যা সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। আর যদি কোনও গর্ভবতী মহিলার রক্তচাপ অনেকটাই বেড়ে যায়, তাহলে তিনি পুত্র সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন।’

২০০৯ থেকে প্রায় গত সাত বছর ধরে প্রায় ৪০০০ গর্ভবতী মহিলার উপর পরীক্ষা করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন গবেষকরা।

মাত্র ৪ দিন খালি পেটে কিশমিশের পানি খান ! কেন খাবেন জানলে এখনই খাওয়া শুরু করবেন?

রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।
অনেক ডাক্তারও রোগীকে ওষুধের পাশাপাশি কিশমিশ প্রেসক্রাইব করেন। কারণ, কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে।
কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না-খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।
রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।
যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ
২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে। তা-ও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু-কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

কুমারিত্ব ফিরে পেতে প্লাস্টিক সার্জারি!

কয়েকমাস আগে ভারতের তেলেঙ্গানা প্রদেশের হায়দরাবাদের অভিজাত শহুরে এলাকা বানজারা হিলসের বাসিন্দা হেমান্থা তার মেয়েকে বিয়ের কয়েকদিন আগে নিয়ে যান একজন প্লাস্টিক সার্জনের কাছে। তিনি ডাক্তারকে তার মেয়ের হাইমেনটি পুনস্থাপন করে দিতে বলেন।
তার মেয়ে ছিলেন একজন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়। হেমান্থা বলেন, আমি আমার মেয়েকে হাইমেনোপ্লাস্টি করাতে নিয়ে যাই এই ভয়ে যে, বিয়ের পর যদি তার স্বামী তাকে কুমারি না ভাবেন তাহলে তার দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হতে পারে।
ওই শহরের ডাক্তাররা বলেছেন, হেমান্থা একাই নন বরং এমন অনেকে, বিশেষ করে ২০-৩০ বছর বয়সী অনেক নারী ৪০ মিনিটের ওই অপারেশনের মাধ্যমে তাদের ছিড়ে যাওয়া হাইমেন জোড়া লাগাতে এসেছেন তাদের কাছে।
সানশাইন হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জন ড. ভবানি প্রসাদ বলেন, তিনি এখন প্রতি বছর এমন ৫০টি অপারেশন করান। অথচ আগে এমন অপারেশন বছরে মাত্র দুই থেকে তিনটি করতেন।
তিনি বলেন, আমাদের সমাজে, অনেক নারীই মনে করেন দাম্পত্য জীবনে শুভ সুচনার জন্য হাইমেন অক্ষতা রাখাটা একটি জরুরি বিষয়। তাদের ধারণা, তাদের স্বামীরা যত আধুনিকই হোক না কেন, তারা তাদেরকে কুমারি হিসেবে পেতেই প্রত্যাশা করেন।
এই অপরেশন প্রক্রিয়ায় নারীদের জননাঙ্গে এক ইঞ্চির একটি ঝিল্লি সৃষ্টি করতে হয়। জননাঙ্গের আস্তরণ থেকে গৃহীত মাংসের ছাল থেকে এই ঝিল্লি সৃষ্টি করতে হয়। এই অপারেশনের পর তা দ্রুত সেরে উঠে এবং কোনো দাগ পড়ে না। অবশ্য, যদিও রোগীদেরকে অপারেশনের কয়েক সপ্তাহ পর পর্যন্ত কোনো ধরনের ব্যায়াম করতে নিষেধ করা হয়।
ডাক্তারদের তথ্য মতে, শুধু যারা বিয়ের আগে যৌনমিলন করেছেন এমন নারীরাই নন বরং যৌনমিলন ছাড়াও যাদের হাইমেন ছিড়ে গেছে তারাও এই অপারেশন করাতে আসেন। হাইমেন হলো নারী জননাঙ্গের প্রবেশ পথের পাতলা একটি পর্দা যা ভারি ব্যায়াম, দৌঁড়ঝাপ বা নাচানাচির কারণেও ছিড়ে যেতে পারে। আর প্রথমবার যৌনমিলনের সময়ও এই পর্দাটি ছিড়ে যায়। ঐতিহ্যগতভাবে একে নারীদের কুমারিত্বের চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ডাক্তারার আরো জানান, ভেজাইনোপ্লাস্টি বা সন্তান প্রসবের পর নারীদের জননাঙ্গের মাংসপেশী সরু করার জন্য প্লাস্টিক সার্জারির চাহিদাও দিনকে দিন বেড়ে চলেছে। ৩৫ বছরের বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে ভেজাইনোপ্লাস্টির চাহিদা বেড়ে চলেছে। সুচরিতা নামে ৪০ বছর বয়সী এক করপোরেট কর্মী বলেন, আমার স্বামী তার ডাক্তারের কাছে এই সার্জারির কথা শোনার পর আমাকেও তা করাতে বলেন।
Relative Post

Friday, January 13, 2017

জেনে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা এবং বীর্য ঘনত্ব বাড়ানোর পদ্ধতি!

যদি কোন পুরুষ মনে করেন যে তার বীর্যে শুক্রানু প্রয়োজনীয় পরিমানে সর্বোচ্চ নয়, তাহলে তিনি কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি যদি একবছরের বেশি সময় ধরে এ চেষ্টা না করে থাকেন তাহলে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার মত কোন কিছু নেই। আর যদি আপনি এক বছরের চেয়ে বেশি সময় ধরে সন্তান নেবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন, তাহলেই হোমিওপ্যাথের শরনাপন্ন হতে হবে।
বীর্যে শুক্রানুর পরিমান/সংখ্যা নিয়ে পুরুষের কিছু ভুল ধারনা:-
শুক্রানু সংখ্যা বৃদ্ধির উপায় বলার আগে চলুন এ বিষয়ে কিছু ভুল ধারনা সম্পর্কে যানা যাক। কিছু মানুষ মনে করেন তার বীর্যের পরিমান এবং রঙের দিকে তাকিয়ে নিঃস্বরিত বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা অনুমান করা সম্ভব! বীর্যের পরিমান দিয়ে কোন পুরুষের বন্ধত্ব কিংবা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা নির্ধারন করা যায়না। বীর্যের বেশিরভাগ অংশ বীর্য-তরল, তাই খালি চোখে আমরা যা দেখি তা দিয়ে দৃশ্যমান বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা নিরূপন করা করা অসম্ভব। বীর্যে শুক্রানুর পরিমান/সংখ্যা জানতে তা মাইক্রোস্কপে পরীক্ষা করা অবশ্যক।
কিছু মানুষ মনে করে খৎনা না করা লিঙ্গ পুরুষের সন্তান জন্মদান ক্ষমতাকে ক্ষতিসাধন করতে পারে। খৎনা এবং শুক্রানুর সংখ্যার সাথে কোন পারস্পরিক সম্পর্ক নেই। খৎনা হলো শুধুমাত্র লিঙ্গের অগ্রভাগ থেকে কিছুটা চামড়া কেটে ফেলা মাত্র। খৎনা নিয়ে জাতি এবং ধর্মবেধে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু লিঙ্গের অগ্রভাগে চামড়া থাকা এবং না থাকার সাথে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যায় কো ন পার্থক্য হয়না।
অন্য একটি ভুল ধারনা হলো, যৌন পুরুষোচিত তেজ এর ভিত্তিতে একজন পুরুষ বলতে পারে তার বীর্য কতটা উর্বর। উন্নত যৌনক্ষমতা থাকা হয়তো আনন্দের, কিন্তু তা পুরুষের সন্তান জন্মদান ক্ষমতা এবং বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা পরিমানের সাথে কোন প্রকার সম্পর্কযুক্ত নয়। শুক্রানুর সংখ্যার সাথে অনেকগুলো কারন জড়িত থাকতে পারে, কিন্তু ভাল যৌনমিলন ক্ষমতা এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়:-
অল্প কিছু বিষয় পুরুষের বীর্যে শুক্রানু সংখ্যার উপর প্রভাব ফেলে। নিন্মে তার কিছু বর্ননা করা হলো:

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন:-
পর্যপ্ত পুষ্টিযুক্ত খাবার, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং শরীরের সঠিক ওজন ধরে রাখার মাধ্যমে উর্বরতা (fertility) উন্নয়ন করা যায়। শাকসব্জি এবং ফলমুল খাদ্য তালিকায় থাকলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে যা উর্বরতায় (fertility) ভুমিকা রাখে। গবেষনায় দেখা গেছে শাকাসব্জি ও ফলমুলে বিদ্যমান এন্টিঅক্সিডেন্ট উর্বরতা (fertility) এর জন্য অনেক বেশি উপকারী। পাশাপাশি সঠিক শাররীক ওজনও একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়। অতিরিক্ত মেদযুক্ত পুরুষের শুক্রানুর সংখ্যা এবং শুক্রানুর গুনগত মান উভয়ই খারাপ হয়ে থাকে।
ধুমপান হতে বিরত থাকুন:-
এখনাকার সময় সবাই যানে ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে ধুমপান শুধুমাত্র মোটের উপর স্বস্থ্যের জন্য ঝুকিপুর্ন নয়, এটি আপনার সন্তান জন্মদান ক্ষমতাও ধ্বংস করতে পারে। এক স্টাডিতে দেখা গেছে, যেসকল পুরুষ ধুমপান করেন তাদের বীর্যে শুক্রানুর পরিমান যারা ধুমপান করেননা তাদের তুলনায় ১৭% কম।
মদ কিংবা অন্য মাদক পরিহার করুন:-
অতিরিক্ত মদ্যপান অথবা মাদকের ব্যবহার উর্বরতা নষ্ট করতে পারে। যেসকল পুরুষ দিনে ৪ গ্লাসের বেশি মদ্যপান করে থাকেন তাদের শুধুমাত্র সন্তান জন্মদান ক্ষমতা নয় – মোটের উপর যৌনক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। পাশাপাশি অধিক মাদক গ্রহন পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা ধরে রাখা ব্যহত করে যা স্থায়ী যৌন অক্ষমতায় রূপ নিতে পারে।
নিয়মিত যৌনমিলন করুন:-
আপনি হয়তো মনে করছেন যৌনমিলন করা সন্তান প্রত্যশি যুগলের জন্য ভাল জিনিস, কিন্তু অনেক যগলের ভুল ধারনা আছে যে মাত্রতিরিক্ত শাররীক মিলন করলে বীর্যে শুক্রানুর পরিমান কমে যায়। তথ্যটি একসময় সত্য ছিল – কিন্তু বর্তমানে সুঠাম স্বাস্থ্যবান (মোটা নয়) পুরুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল ধারনা বলে প্রমানিত হয়েছে। একসময় ডাক্তার এমন পরামর্শ দিতেন যে, যেসকল পুরুষের শুক্রানু সংখ্যা কম তারা কিছুদিন শাররীক মিলনে বিরতি দিয়ে শুক্রানু জমা করে শাররীক মিলন করতে পারেন। যদিও অনিয়মিত যৌনমিলন হয়তো সংখ্যায় কোনক্রমে উন্নত হয়, একই সাথে শুক্রানুর গুনগত মানে এর নেগেটিভ ইফেক্ট আছে। যখন একজন পুরুষ নিয়মিত যৌনমিলন করে তখন প্রতিবার বীর্যস্থলনের সময় সে তার ক্রুটিপুর্ন শুক্রানুর একটা অংশ নিষ্কৃত করে।

এভাবে ক্রুটিপুর্ন শুক্রানু নির্গত করে সে স্বাস্থ্যবান শুক্রানু উৎপাদনের জন্য যায়গা খালি করে। সকালবেলা যৌনমিলন করলেও লাভবান হবার সম্ভাবনা আছে। গবেষণায় দেখা গেছে সকালবেলা প্রাকৃতিক ভাবেই বীর্যে শুক্রানু সংখ্যা সর্বোচ্চ পরিমানে থাকে। তবে যদি রোগ বা অন্য কারণে এ সংক্রান্ত কোনো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলতে ভুলবেন না।

স্বামীর আগে স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায়!! সারা জীবন কাজে লাগবে।ভাল লাগলে শেয়ার করবেন।

অনেক স্ত্রীর ধাতু এমন কঠিন যে, স্বামী সহবাস করে উঠে গেলেও স্ত্রীর বীর্যপাত হয় না। যদি স্বামী বীর্য আগে বের হয়ে যায়, আর স্ত্রীর বীর্যপাত হয় না, সে নারীর মনের কষ্ট ব্যক্ত করার কোনো স্থান থাকে না। স্বামির মনেও একটি আক্ষেপ থেকে যায় যে, সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাসে পেরে উঠলো না।

সহবাসের ক্ষেত্রে সে তার স্ত্রীকে কষ্ট দেওয়া ছাড়া আর কিছুই দিতে পারলো না। এরূপ আক্ষেপ সৃষ্টি হওয়াতে অনেক স্বামী ধীরে ধীররে সহবাসের সাহস হারিয়ে ফেলে, ফলে ধীরে ধীরে তার সহবাসের আগ্রহ হ্রাস পায় এবং যখনই সহবাস করতে যায়, দেখা যায় যে, তার ঐ চিন্তার কারণে বীর্যপাত পূর্বের তুলনায় আরো তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে। এজন্য স্বামীকে স্ত্রীর বীর্যপাত তার থেকে দ্রুত ঘটাতে নিম্মোক্ত তদবীর গ্রহণ করতে হবে। এতে সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাসে জয়ী হতে পারবে।


দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান
১. বিশুদ্ধহিং আধা তোলা, চামিলির তেলসহ কোনো পাত্রে গরম করে একটু গাঢ় করবে। সহএর দ্বারা স্বামীর আগেই স্ত্রীর বীর্যপাত হবে এবং স্ত্রীর মনে অধিক আনন্দ জম্মাবে। এমনকি সহবাসের সময় উভয়ে আত্মহারা হবে।
২. চৌকিয়া সোহাগা ও আরবী গদ, এ দু’টি আগুনে খৈ করে ফুটিয়ে গুড়ো করে পানির সাথে গুলে বটিকা তৈরী করবে। যখন সহবাস করার প্রবল ইচ্ছা হবে, তখন ঐ বটিকা ভেঙ্গে মুখে থুথুতে গুলে পুরুষাঙ্গে প্রলেপ দিয়ে সহবাস করলে স্ত্রীর বীর্য স্বামির আগেই বের হয়ে যাবে এবং স্ত্রী তার স্বামীর প্রেমানুরাগী হয়ে চিরকাল থাকবে। এটিও এ কাজের জন্য খুবই কার্যকরী।বাস করার পূর্বে ঐ তেল পুরুষাঙ্গে মালিশ করে সহবাস করবে।

প্রতিদিন ঘুমাবার আগে কি খেলে পুরুষাঙ্গ সারাজীবন শক্ত ও মোটা থাকবে । জেনে রাখুন সারা জীবন কাজে লাগবে !!

সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না। এই ঔষধ পুরুষকে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই।

গবেষনায় দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌন শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে।

মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট কেনা থেকে বিরত থাকুন। যৌন শক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়, তারা নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। তাই যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

এখন আসি আসল কোথায় প্রতি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সাথে খাটি মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই। না হলে আমাদের কমেন্ত বক্স এ জানাবেন। তবে এখানে মধু খাটি হতে হবে। অন্যথায় সব বিফলে যাবে।

জেনে অবাক হবেন, বীর্য মুখে নিলে যা হয়!

জেনে অবাক হবেন, বীর্য মুখে নিলে যা হয়!

বীর্য খাওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সুবিধামানুষের বীর্য খাওয়ার কিছু কারণ হচ্ছে প্রেমমূলক পরিতৃপ্তি, শারীরিক সুবিধা এবং আধ্যাত্মিক। জেনে নেই বীর্য খাওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সুবিধা
# স্বাস্থ্য ঝুঁকি : একজন সুস্থ পুরুষের বীর্য খাওয়ায় নারীদের কোন ঝুঁকি নেই। মুখমৈথুনের মাধ্যমে আসা ঝুঁকি ছাড়া বীর্য খাওয়ায় অন্যকোনো ঝুঁকি নেই। মুখমৈথুন কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ যেমনঃ এইচপিভি অথবা হার্পিসের ঝুঁকি বহন করে বিশেষত মুখমৈথুনকারীর মাড়ির রক্তপাত, মুখে খোলা ক্ষত জনিত রোগ থাকলে।

# দৈহিক সুবিধা : গড় বীর্যপাত (৩.৪ মিলি) অনেক পুষ্টি উপাদান যেমন দস্তা, ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়াম সেই সাথে ভিটামিন বি১২ রয়েছে। সীমিত গবেষণায় দেখা গেছে বীর্য খাওয়ার স্বাস্থ্য।

# উপকারিতা ইতিবাচক : কিছু মহিলার দেহে অ্যান্টিবডির কারণে বন্ধ্যাত্ব, খিচুনি এবং মৃত সন্তান হয়। ওরাল সেক্স এবং বীর্য খাওয়ার মাধ্যমে মহিলারা তার সঙ্গীর এন্টিজেন খেয়ে নেয় যা অধিকতর নিরাপদ ও সফল গর্ভধারণে সাহায্য করে।

বীর্য খাওয়ায় মহিলাদের হতাশা দূর হয় এমন কোনো প্রভাব আছে কিনা তা নিয়ে কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো হয়নি। কিন্তু বীর্যে মহিলাদের মনচাংগা করার বেশ কিছু যৌগ যেমনঃ এন্ডোফ্রিন, এস্ট্রন, প্রলাক্টিন, অক্সিটসিন, থাইরোট্রপিন-রিলিজিং হরমোন এবং সেরোটোনিন আছে। তবে মহিলাদের যোনির মাধ্যমে বীর্য গ্রহণে এই হরমোনগুলোর প্রভাব শুধুমাত্র লক্ষনীয় তা নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে।

Wednesday, January 11, 2017

যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার!

যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার!
যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়া কখনই সেক্স করতে চাওয়ার পূর্ব লক্ষণ না। এটি একটি অসুখ। অনেকের মাঝেই এই ভ্রান্ত ধারণাটি আছে যে যৌনাঙ্গে চুলকানি (বিশেষ করে মেয়েদের) হওয়া মানে সেক্স করতে চাওয়া। কিন্তু এটি কখনই সত্য না। শারীরিক মিলনে আগ্রহী হওয়ার অন্য ধরনের লক্ষণ দেখা যায় যেমন যৌনাঙ্গ গরম হয়ে যাওয়া ও ফুলে যাওয়া, শারীরিকভাবে উত্তেজনা অনুভব করা, যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়া না। আসুন জেনে নিই যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে।

কারণঃ
১. ইস্ট বা ছত্রাকের আক্রমণঃ
এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে উপকারী ব্যাকটেরিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিন্তু এন্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়, ফলে ঈস্টগুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকূল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গঃ
– যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।
– চুলকানি, ব্যথা ও প্রদাহ হয়।
– যৌন মিলনের সময় ব্যথ্যা হয়।

যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়ার কারণ ও প্রতিকার!
২.ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণঃ
এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণে এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গঃ
– গন্ধযুক্ত ও মাছের আশঁটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।
– চুলকানি হয় প্রচুর।
– প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।

৩.ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণঃ
এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।
উপসর্গঃ
– হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।
– তলপেটে ব্যথ্যা হয়।
– যোনিতে চুলকানি হয়।

৪. এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।
৫. কিছু সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হতে পারে।
৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিশ্যু পেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে যোনিতে চুলকানি হতে পারে।
৭. মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয় ।
৮. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।